1. [email protected] : শেয়ারবার্তা প্রতিবেদক : শেয়ারবার্তা প্রতিবেদক
  2. [email protected] : muzahid : muzahid
  3. [email protected] : শেয়ারবার্তা : nayan শেয়ারবার্তা
  4. [email protected] : নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজস্ব প্রতিবেদক
পর্দা উঠল বাপা ফুডপ্রো ইন্টারন্যাশনাল এক্সপোর
বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১২:১৩ পিএম

পর্দা উঠল বাপা ফুডপ্রো ইন্টারন্যাশনাল এক্সপোর

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৯

সপ্তম বাপা ফুডপ্রো ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো ২০১৯ শুরু হয়েছে ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি)। কৃষিমন্ত্রী ড. মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিন দিনব্যাপী এ মেলার উদ্বোধন করেন। প্রক্রিয়াজাত কৃষি পণ্যের সর্ববৃহৎ এই মেলা চলবে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত।

প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকছে। মেলায় প্রদর্শনী ছাড়াও কারিগরি সেশনে থাকবে দেশ-বিদেশের এ খাতে যুক্ত বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতি। থাকছে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দেশীয় প্রতিষ্ঠানের বিজনেস ম্যাচিং সেশনের ব্যবস্থা। মেলায় প্রায় ১৫টি দেশের প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।

বাংলাদেশ অ্যাগ্রো প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশন (বাপা) এবং রেইনবো এক্সিবিশন অ্যান্ড ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেড এ মেলার আয়োজন করেছে। এই মেলার সাথে “৯ম এগ্রো বাংলাদেশ এক্সপা ২০১৯” এবং “৬ষ্ঠ রাইস এন্ড গ্রেইনটেক এক্সপাে ২০১৯” নামে আরও দুটি মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

প্রসেসিং সেক্টরের সাথে যুক্ত, দেশি-বিদেশি এমন বিভিন্ন কোম্পানি মেলায় অংশ নিয়েছে। ইতোপূর্বে ৬বার অনুষ্ঠিত এই মেলার আশাতীত সাফল্য, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এবং দেশি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ এবং দর্শনার্থীদের অভূতপূর্ব সাড়া পাওয়ার ফলে এবারের মেলার সাফল্য নিয়েও আশাবাদী আয়োজকরা।

আয়োজকরা জানান, জন্মলগ্ন থেকেই বাপা ফুড প্রসেসিং সেক্টরের উন্নয়নের স্বার্থে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বাপার মূল লক্ষ্যই হলো এই সেক্টরের ক্রমবর্ধমান বিকাশ নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাওয়া। বিশ্বায়নের এই যুগে, আগত প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা ব্যাতীত যেকোনো খাতে উন্নয়নের পথ রুদ্ধ। কাজেই বাংলাদেশ যাতে কোনোভাবেই এই খাতে পিছিয়ে না যায়, সে ব্যাপারে বাপা সদা সচেষ্ট। ফুড প্রসেসিং সেক্টর এবং এর সাথে জড়িত সকল প্রতিষ্ঠানের বিকাশ এবং সার্বিক সমন্বয় নিশ্চিত করার মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরও বেগবান করতে বাপা সদা সচেষ্ট।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৮ সালে মাত্র ১৩ জন সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে বাপা। বর্তমানে বাপার সদস্য সংখ্যা ৩০০, যারা প্রক্রিয়াজাত খাদ্য বিশ্বের ১৪৪টি দেশে রফতানি করে চলেছেন। বিগত অর্থবছরে খাদ্য রফতানির মাধ্যমে বাপার সদস্যরা ৩৭২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছেন। এই রপ্তানির পরিমাণ ২০২১ সালের মধ্যে ১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে বাপা বদ্ধ পরিকর।

আয়োজকরা বলছেন, যেহেতু এই সেক্টরে বাপা আয়ােজিত এটি একমাত্র আন্তর্জাতিক মানের মেলা, সেহেতু মেলার প্রচার এবং প্রসারে বাপা বদ্ধ পরিকর। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের ফুড প্রসেসিং সেক্টরকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে যেতে এই ধরনের মেলা সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। আয়োজকরা আশাবাদী যে, সময়ের সাথে সাথে এই মেলার পরিসর ক্রমাগত বৃদ্ধি পাবে। আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সাথে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পারস্পরিক বাণিজ্যের প্রসার এবং আধুনিক প্রযুক্তির সাথে দেশীয় প্রতিষ্ঠানের পরিচয় করানাে এই মেলার অন্যতম লক্ষ্য।

শেয়ারবার্তা / আনিস

ফেসবুকের মাধ্যমে আপনার মতামত জানান:

ভালো লাগলে শেয়ার করবেন...

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ