1. [email protected] : anjuman : anjuman
  2. [email protected] : শেয়ারবার্তা প্রতিবেদক : শেয়ারবার্তা প্রতিবেদক
  3. [email protected] : শেয়ারবার্তা : nayan শেয়ারবার্তা
বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইএক্সয়ের উত্থানে লেনদেন শেষ
শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ১০:০২ এএম

বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইএক্সয়ের উত্থানে লেনদেন শেষ

  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৩ মে, ২০২৩
dse

বিদায়ী সপ্তাহে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে। আগের সপ্তাহের তুলনায় গেল সপ্তাহে লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে। সপ্তাহটিতে লেনদেন হয়েছে ৩ হাজার ৯৫৭ কোটি টাকা। যার মোট লেনদেনের ৩১ শতাংশই দশ কোম্পানির দখলে রয়েছে। ওই দশ কোম্পানিতে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ২১৭ কোটি টাকা। কোম্পানিগুলোর শেয়ার দর পতনের তুলনায় উত্থান আড়াইগুন বেশি হয়েছে। কমেছে শেয়াবাজারে মূলধন পরিমাণ।

স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্র মতে, গত ১০ অক্টোবর পুঁজিবাজারে সরকারি বন্ডের লেনদেন শুরু হয়। এরপর ডিএসইতে ২৫০ বন্ডের লেনদেন হয়। এতে ডিএসইর শেয়ারবাজার মূলধন ২ লাখ ৫২ হাজার ২৬৩ কোটি ১৩ লাখ টাকা বেড়ে ৭ লাখ ৭৩ হাজার ৯৩৯ কোটি ৫৮ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছিল। এরপর গত ২৭ অক্টোবর শেয়ারবাজার মূলধন কমে দাঁড়িয়েছিল ৭ লাখ ৬৯ হাজার ৪৬৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা। গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার শেয়ারবাজার মূলধন দাঁড়ায় ৭ লাখ ৬৬ হাজার ১০৬ কোটি ৭৪ লাখ টাকায়। এর আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার শেয়ারবাজার মূলধন দাঁড়িয়েছিল ৬৬ হাজার ৩১৭ কোটি ৫০ লাখ টাকায়। এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন কমেছে ২১০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

গেল সপ্তায় ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩ হাজার ৯৫৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ২ হাজার ৪০৮ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। এক সপ্তাহের ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে ১ হাজার ২১৭ কোটি ২ লাখ টাকা বা ৩০ দশমিক ৭৫ শতাংশ। ডিএসইতে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ৭১৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে গড়ে লেনদেন হয়েছিল ৮০২ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। গেল সপ্তাহে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত ৪০২টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়। এর মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ১১৮টির, দর কমেছে ৪৭টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ২২৬টি কোম্পানির। লেনদন হয়নি ১১টি কোম্পানির শেয়ার।

সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স উত্থানে লেনদেন শেষ হয়। এক সপ্তাহে ব্যবধানে ডিএসইএক্স ৪ দশমিক ৬৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৬ হাজার ২৭২ দশমিক ৪৩ পয়েন্টে। শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস ৪ দশমিক ৬৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৩৭২ পয়েন্টে। এছাড়া ডিএসই৩০ সূচক ১০ দশমিক ৩৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ২ হাজার ১৯৪ দশমিক ৩৫ পয়েন্টে।

এদিকে গেল সপ্তাহের শেষে ডিএসইর পিই রেশিও অবস্থান করে ১৪ দশমিক ৩৫ পয়েন্টে। যা ঈদের আগের সপ্তাহের শেষে পিই রেশিও দাঁড়িয়েছিল ১৪ দশমিক ৩৬ পয়েন্ট ছিল। পুঁজিবাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, পুঁজিবাজারে কোনো কোম্পানির মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ১৫ পয়েন্ট ছাড়ালেই তা বিনিয়োগের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। অন্যদিকে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনও (বিএসইসি) মার্জিন ঋণের যোগ্যতা হিসেবে সর্বোচ্চ ৪০ পিই রেশিও বেঁধে দিয়েছে। এ হিসেবে ৪০ পর্যন্ত পিইধারীর শেয়ার বিনিয়োগের জন্য নিরাপদ বলে জানায় বিএসইসি। সেই হিসেবে গত বৃহস্পতিবার ডিএসইর পিই দাঁড়িয়েছে ১৪ দশমিক ৩৫ পয়েন্টে। পিই রেশিও হিসাবে বিনিয়োগ নিরাপদ অবস্থানে রয়েছে।

গেল সপ্তাহে এ ক্যাটাগরির ৮০ ভাগ কোম্পানির শেয়ার টপটেন লেনদেনে অবস্থান করেছে। বাকী ২০ ভাগ কোম্পানির শেয়ার বি ক্যাটাগরিতে অবস্থান করেছে। সপ্তাহটিতে মোট লেনদেনের ৩০ দশমিক ৭৫ শতাংশ শেয়ার ১০ কোম্পানির দখলে রয়েছে। কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের শেয়ারে। কোম্পানিটি একাই মোট শেয়ারের ৩ দশমিক ৯৭ শতাংশ লেনদেন করেছে।

এছাড়া লার্ফাজ-হোলসিমের ৩ দশমিক ৭২ শতাংশ, ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশনের ৩ দশমিক ৬২ শতাংশ, ইস্টার্ন হাউজিংয়ের ৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ, সী পার্ল বিচের ৩ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ, অগ্নি সিস্টেমসের (বি ক্যাটাগরি) ২ দশমিক ৯০ শতাংশ, ইউনিক হোটেলের ২ দশমিক ৭৫ শতাংশ, জেমিনি সি ফুডের (বি ক্যাটাগরি) ২ দশমিক ৩২ শতাংশ, আমরা নেটওয়ার্কসের ২ দশমিক ৩৮ শতাংশ এবং জেনেক্স ইনফোসিসের ২ দশমিক ৩২ শতাংশের শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারের এ ক্যাটাগরির শেয়ার বি ও জেড ক্যাটাগরির থেকে তুলনামূলক ভালো কোম্পানি। নিয়ম অনুসারে, যেসব কোম্পানি বছর শেষে তাদের শেয়ারহোল্ডারদের সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ থেকে তার ঊর্ধ্বে লভ্যাংশ (নগদ বা বোনাস) দেয় তারাই এ ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার। যেসব কোম্পানি বছর শেষে তাদের শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নিচে থেকে শুরু করে সর্বনিম্ন ৫ শতাংশ লভ্যাংশ (নগদ বা বোনাস) দেয় তারা বি-ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার। যেসব কোম্পানি বছর শেষে তাদের শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ নিচে থেকে শুরু জিরো লভ্যাংশ (নগদ বা বোনাস) দেয় তারাই জেড ক্যাটাগরি কোম্পানির শেয়ার। এছাড়া এন ক্যাটাগরি নতুন কোম্পানির শেয়ার। যেগুলোর পুঁজিবাজারের লেনদেন শুরু হয়েছে কিন্তু বছর পার হয়নি, সেইগুলো এন ক্যাটাগরিতে রয়েছে।

ফেসবুকের মাধ্যমে আপনার মতামত জানান:

ভালো লাগলে শেয়ার করবেন...

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ